kormokhali.com
Job Information Blog site in Bangladesh

ক্র্যাকড এবং বাইপাস সফটওয়্যার কী?

125

ক্র্যাকড এবং বাইপাস সফটওইয়্যার কী?

ক্র্যাকড সফটওয়্যারঃ ক্র্যাকড(cracked) হচ্ছে সেই সকল সফটওয়্যার(software) যেগুলোর গাঠনিক ভাবে পরিবর্তন সাধিত হয়। একটু সহজভাবে বললে, সফটওয়্যারের কোডে(code)/ স্ক্রিপ্ট(script)- এ পরিবর্তন ঘটানো হয়। এই ধরনের সফটওয়্যারকে নাল্ড(nulled) সফটওয়্যারও বলা হয়।
বাইপাসঃ এই পদ্ধতিতে সফটওয়্যারে খুব একটা পরিবর্তন আনা হয়না। বরং মূলত অনেকটা এইভাবে কাজ করে। অনলাইন লাইসেন্স ভেরিফিকেশন(online license verification)-এর জন্য সফটওয়্যারটির সার্ভার(server) থেকে কিছু কানেকশন(connection) থাকে যা লাইসেন্স বৈধ কিনা সেটা অনুসন্ধান করে। একটি নকল লাইসেন্স কি(license key) বসিয়ে সেই অনুসন্ধানের কানেকশনগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে পারতপক্ষে সফটওয়্যারটি লাইসেন্সড দেখায়। এটাকে পিশিং(phishing) পদ্ধতিও বলা হয়ে থাকে।

এই ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার কারাটা কতটা যুক্তিযুক্ত?

  • ক্র্যাকড/নালড/বাইপাস সফটওয়্যারগুলো কখনও আপডেট(update) পায়না। আপডেট করতে হলে মান্যুয়ালি(manually) সেটা করতে হয়। ফলে, যদি জরুরী প্রয়োজনে কখনও কোন আপডেট আসে সেক্ষেত্রে সেটা সাথে সাথে পাওয়া সম্ভব নয়। ফলে, একটা সিকিউরিটি রিস্ক(security risk) থেকে যাচ্ছে।
  • ক্র্যাকড/নালড সফটওয়্যারগুলোতে অনেক সময় বিপদজনক স্ক্রিপ্ট থেকে থাকে। আর এই স্ক্রিপ্ট ব্যবহারকারী-এর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নিতে বেস পারদর্শী।
  • অনেক সময় এই ধরনের সফটওয়্যার ডিভাইস(device) -এর পারফর্মেন্স(performance) কমিয়ে দিতে সক্ষম।
  • আর মূল জিনিস হল নৈতিকতা(ethics)। এই ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার কারাটা অন্যের কিছু চুরি করে নিজের বলে দাবি করার সমান।
তাই নিজে যতই সচেতন হোন না কেন, এইধরনের সফটওয়্যার আপানকে বিপদে ফেলাতে বিন্দু মাত্র ছাড় দিবেনা।

এর বিকল্প পদ্ধতি কী হতে পারে?

  • একটি সফটওয়্যার নিজে কিনে চালানোর মত পরিস্থিতি না থাকলে, সেটা কয়েকজন মিলে কিনে চালানো যায়। এটা অনেক সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানই অনুমোদন করে থাকে।
  • ওপেনসোর্স(opensource)-এর বিনামূল্যে যে সফটওয়্যার আছে সেগুলোরতে অভ্যস্ত হওয়া।
Comments
Loading...